বেড়াতে গিয়ে মজারু ৫০ আগেই খোঁজ খবর করে আমার কর্তামশাই এর ভাঁড়াড়ে মজুত করা ছিল নানা রকম বেরকমের আপদ বালাই এর অতীত অভিজ্ঞতার ব্যাখ্যান । কয় জনা আবার বলে দিয়েছিল ... স্টেশনে অতি সাবধানী থেকো । ওদিকে নাকি ছিনতাই হয়ে থাকে । ব্যাগ পত্তর তো বটেই কন্যার হাত শক্ত করে চেপে পিতাশ্রী এগোলেন টোটোর দিকে। টোটো খানা র শ্রীহীন অবয়ব দেখে মনে হল এই বাহন কি আমাদের মতন ওজনদার কর্তা-গিন্নিকে ধারণ করতে পারবে ??? তার উপরে আমাদের দুই পরিবারের বাক্স প্যাটরা ওজনে সমান সমান । এ বলে আমাকে দেখ তো ও বলে আমিও কম যাই না !!! যদিও ওদিকের কর্তা গিন্নি সিলিম ( Slim ) । ভাগ্যিস তাই সবাই টোটোতে এঁটে গেলাম ... বলা ভাল আমাদের ওজনজন্য ওরা আঁটকে গেল টোটোর ফাঁদে । মুখোমুখি সিটের স্লিম অংশের অংশীদার হয়ে কোন মতে সেখানে বসল দিবাকর , তার পিছনে গদি সদৃশ আমার কর্তামশাই টোটো চালকের পাশ টি তে বসেছিল কোন মতে । রূপা পিছনের সিটে খানিক হেলে হেলান দিয়ে হেলদোলহীন অবস্থানে ছিল আমি নামক গদিতে ওর কোন আরাম ঘটে নি । এদিকে আমি অনেকখানি ঠিকঠাক বসে ছিলাম দুই ছানাসহ পায়ের সামনে ও কোলে ব্যাগ বোঝাই হয়ে। কন্যাকে স্থান পরিবর্তন করার নির্...
Posts
- Get link
- X
- Other Apps
বেড়াতে গিয়ে মজারু ৪৯ বছরের কিছু কিছু সময়ের সাথে একটা বেড়িয়ে পড়ার ডাক ওতোপ্রতো ভাবে জড়িয়ে থাকে। এমনিতে যদিও যখন খুশি বেরিয়ে পড়াতে কোন লিখিত বাঁধা নেই। কিন্তুক গণ্ডাখানেক বাঁধার গেরো সব সময়ই থাকে। আর তার সাথে ভ্রমণ পিপাসুদের চলে লুকোচুরি খেলা । এবারে বাংলা বছরের গোড়ার দিকে গরম যেমন মারাত্মক রাগিয়ে দিয়েছিল , ঠাণ্ডার কাঁপন তেমন মেঘের কোলে এক হাসিখুশি রোদের সাথে ভাসিয়ে শহর থেকে আরো অনেক দূরে চলো কোথাও চলে যাই বলে হাজির হলো। ঝোপ বুঝে কোপ মারতে গিয়েও ঝাড়খণ্ড যখন খণ্ড খণ্ড তখন মন ভার , মুখ ভার .... এবার আবার সেই কর্তা মশাই এর ব্লগ ভ্রমণের ফাঁক গলে ট্রেনের টিকিট, নেতারহাটের চলনসই বাসভূমি পিছলে গেল , হাতে রইল কেবল রাচি .... সোনা মুখ করে বলে কিনা চলো চলো আছে রাজরাপ্পা ... ওসবে আমি ভুলি ??? কভি নেহি !! নেতারহাটে , পত্রাতুর উপত্যকায় পরে যাবে নিয়ে আবার ??? ওদিক নিরুত্তর !!! কি ধাপ্পাা , কি ধাপ্পা !! রাঁচিতে পুরো কাঁচি চালাতেই হল । আমি নিরূপায় । দেবাশ্রিতা শুনলে কাঁচি নিয়ে তাড়া করবে , ওর যে ওখানে মামা বাড়ি ভারি মজা , কিল চড় নাই !!! 🤫 আলোচনার সূত্রপাতে বিহারের বৌদ্ধ...
- Get link
- X
- Other Apps
বেড়াতে গিয়ে মজারু ৪৮ পেলিং এর দুই ভাগ আপার আর লোয়ার। আমাদের হোটেল সামথেনলিং ছিল আপার পেলিং এ। হোটেল থেকে এগিয়ে খানিক গেলেই সেই আকাশ ছোঁয়ার চাবিকাঠি স্কাই ওয়াকের অবস্থান ছিল। নামচি থেকে পাহাড়ী পথ পেরিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ আমরা পেলিং পৌঁছলাম। এ হোটেলের মালিক নির্ভেজাল বাঙালি। ঘরে ঢুকে আরেক রাউন্ড কাঁপন ধরল। বিশালাকার ঘরের কোণে কোণে যেন ঠাণ্ডা ঘাপটি মেরে বসেছিল। ম্যানেজার সহ আমার কর্তামশাই রুমহিটার নিতে ঘোরতর আপত্তি জানালেন । অগত্যা !!! খানিক সতেজ হলাম হাত মুখ ধুয়ে চায়ের সাথে টা খেয়ে । এরপর দু রাত থাকার উপযোগী গুছু করে লেপের আশ্রয়ে ঢুকে গেলাম । কর্তামশাই আতঙ্কিত হলেন , কারণ লেপের ওম ছেড়ে যদি রাত উপোসী থাকি ??? খাবার না খাওয়ার ভাবনায় তিনি ভয়ানক দুঃখিত হয়ে , দুঃখ কাটাতে আরো বেশি খেয়ে ফেলেন !!! বিপদ বলে বিপদ @!!! যাক সে সব বিপদ ঘটার কারণ ছিল না , কারণ খুব বেগতিক না দেখলে আমি বাপু খাবারের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিই না। তাই আমি সময় মতন খাই দাই করতে গেলাম ডাইনিং হলে । খান তিনেক সদ্য পাশ করা ডাক্তারের সাথে আলাপ হল , তারা তিন বন্ধু ঘুরতে বেরিয়েছে। ফেরার পালা তাদের পর...
- Get link
- X
- Other Apps
বেড়াতে গিয়ে মজারু ৪৭(ক) রাবাংলাকে বিদায় জানিয়ে আমরা পাড়ি দিলাম নামচি র পথে । নামচি তে সত্যিই নামছি বলে নেমে এলাম অনেকখানি। রাবাংলার উচ্চতা নামচির থেকে বেশ বেশি ছিল। ঠাণ্ডার কাঁপনে তা ধরতে পারছিলাম হাঁড়ে হাঁড়ে ই। ওদিক থেকে বেলা ১১ নাগাদ বেরিয়ে গড়গড়িয়ে নেমে নামচিতে থামলাম বেলা সাড়ে বারটা র দিকে । পথে বেরলে আমাদের মা -মেয়ের খাই খাই বাই পেটে সিগনাল দিলেও তাকে পাত্তা না দিয়েই আমরা নামচির বিখ্যাত স্তুপ স্যাণ্ড্রুপসে দেখতে গাড়ি থেকে নেমে পড়লাম। টপাটপ টিকিট কেটে গেট পেরিয়ে গটগটিয়ে ভিতরে ঢুকে পড়লাম। সিকিমের ঐতিহ্যবাহী নানা রঙের পতাকা র নিচে দাঁড়িয়ে আউট অফ সিলেভাস ছবি তোলা হল আমাদের মা - মেয়ের । আমাদের দু মক্কেলের বিরল মুহুর্ত বন্দী করা হল ক্যামেরাতে।এরপর হাল্কা চড়াই পেরিয়ে ওই স্তুপের সংলগ্ন মন্দিরে প্রবেশ করার জন্য সিঁড়িতে উঠতে শুরু করলাম।মন্দিরের মাথায় বৌদ্ধ ধর্মের গুরু পদ্মসম্ভবের সুবিশাল মূর্তি সম্ভ্রম জাগায় । মূর্তির মুখখানি বেশ রাগি রাগি !!! নজর করল আমাদের কন্যা । দৈনন্দিন জীবনে রাগি মুখের সাথে তেনার ওঠা বসা , তাই ও চিনতে তেনার ভুল হয়নি !!! সে বলার পর ...
থানা ছুঁয়ে দেখা
- Get link
- X
- Other Apps
নানা জায়গার অভিজ্ঞতা নানা রকম । আমরা সাধারণত যে সব জায়গা যাওয়া আসা করি , সেখানেও নানান ঘটনা ঘটে , কিছু মজার , কিছু চিন্তার। জীবনে বেশ কয় বার থানাতে হানা দিয়েছি। তিনবার এটা সেটা হারিয়ে তা নথিভুক্ত করতে missing diary করতে গেছি । এই কিছুদিন আগে এক ভিন্ন কারণে সেখানে হাজিরা দিলাম। কিছু চিন্তাজনক কারণজন্য মেয়েকে যার কাছে রাখতাম তাকে বরখাস্ত করেছিলাম। সে বাড়ি এসে পরেরদিন হামলা স্টাইলে হুংকার দিলো ... সে রোগা পাতলা হলে কি হবে তার ওই রণচণ্ডী রূপে আবির্ভাবে আমরা মোটা আর মুটি যারপরনাই মুষিক তখন। আমার শরীরে তখন ভীতি জনিত কাঁপন ধরে গেছে । ছোটকালের বান্ধবী পারমিতা সহ আরো অনেকেই বললে ... সাবধান সাবধান সাবধান !!! পরামর্শ মতন জায়গা মতন কথা হল ... শুনে তেনারা 👮♂️👨✈️অভয় দিয়ে আমাদের লেখা চিঠির ভিত্তিতে সব লিপিবদ্ধ করবেন বললেন .... যিনি লিখি পড়ি করবেন তার পিছনে দেখলাম মেঝেতে থাবা গেড়ে এক ছিঁচকে চোর বসে আছে । বসার স্টাইলের সাথে চিড়িয়াখানার খাঁচার ভিতরের হালুমের মিল মালুম হচ্ছিল , কিন্তুক সে পরে খাঁচা থুড়ি লকআপে চালান হলেও তখন বাইরেই বিরাজমান ছিল। আর আসে পাশে ...
এসো হে বৈশাখ
- Get link
- X
- Other Apps
এসো হে বৈশাখ এসো এসো 🎶🎶🎶🎶 ... এই সাদর আহ্বানে সাড়া দিয়ে গরম গরম গ্রীষ্মের আগমন হতে না হতেই গান বদলে যায় ... দারুণ অগ্নিবাণে রে !!! কি মুশকিল বলো দেখি !!! তবে আমার সব সময়ের ভালবাসার মাস শীত । এ বছরের শীতে নানান আপদ বিপদের ভারে জর্জরিত থাকলেও শীতের প্রতি প্রেম ভালবাসা কমার প্রশ্নই নেই আমার কাছে । গরমের নানান কষ্টের গল্প লেখার বদলে আজ তার মধ্যেও খুঁজে পাওয়া ভাল র কথা লিখতে বসেছি । আমার মনে হয় কোন ব্যক্তির , কোন বিষয়ের সব কিছু নেতিবাচক হতে পারে না । হয়ত আমি ভুল হয়ত আমি ঠিক ... জানা নেই। আমার এ ভাবে ভাবতে ভাল লাগে। সব সময়ই যে ওমন ভাবে ভাবতে পেরেছি তা নয় , তবে চেষ্টা করি । গরমের শুরুতে ভোরের আমেজটা just অসাধারণ থাকে । হাল্কা ঠাণ্ডার মাঝে নরম রোদ আর সাথে পাখিদের কলকাকলি। এক সময় হঠাৎ খেয়ালে ভোরের দিকে ছাদে হাঁটার চেষ্টা করেছিলাম ( গত বছর দুয়েক গরমের শুরুর দিকে [সাময়িক ] ) ... কতশত পাখি যে আকাশ জুড়ে উড়ে যেত ডাকতে ডাকতে তা বলার নয় । মনে হতো বা ওদের দখলে তখন জগত সংসার । বিকেলের কালবৈশাখীর পরের ঠাণ্ডা হাওয়ার ঝাঁপটা যখন চোখে মুখে লাগে ( মাইনাস ধুলো 😄 ) আহ...
চিত্র বিচিত্র
- Get link
- X
- Other Apps
" আরে তোর আঁকা ছবিতে আমরাই বাদ ??? " ----- মায়ের প্রশ্নের উত্তরে একটুও না ঘাবড়ে পুপের জবাব ... " ধরলো না তো !! কি করবো ?" ইদানীং তো আঁকায় আক্রান্ত আমাদের পুপে । যেখানেই যান আমার ফিদা হোসেন আঁকতে বসেন ... অনেকেই বেশ ফিদা ওনার গুণ পানায় । আর আমি ভাবি 🤔... যে কদিন করছে করুক । আঁক কষতে বসলে তো আঁকসি বাগিয়ে ধরেও সংখ্যা যথাস্থানে প্রয়োগ হয় না !!! একই অঙ্কে যা যা শেখা হোলো তার সব গুলো apply করেও বেচারী করো মন পায় না । 🙃😛... গুণ করতে গিয়ে mix & match করে ওতে খানিক খানিক গুণ এবং অন্য আরো জ্ঞানের যোগ করে , বাবাকে তাক লাগিয়ে দেবে ভাবল !!! কিন্তু 🤐 বাবা তো খুশি হলোই না , উল্টে রেগে আগুন হয়ে বলেই দিলো "তুই একটা বে-গুন !!!! " কি দুঃখের কথা বলো দেখি .... মাকে বলেছে পুপে...." ওমন করলে আমার বুকে কষ্ট হয় , মা 🙄" আমাদের কালে বকুনি খেলে কোথাকার কষ্ট কোথায় উঠতো ---- সত্যিই বলছি একদম মনে নেই কো । তো অঙ্কন চলুক ... কিন্তু বাদ দেবে তাতে আমাদের ??? এই তো সেদিন একজনের প্রশ্নের উত্তরে ঘটা করে যা রাষ্ট্র করে এসেছে সে চত্বরে , কোথায় লুকোই ...