বেড়াতে গিয়ে মজারু ৭২
বেড়াতে গিয়ে মজারু ৭২ রাত নাকি ভোর তিনটেতে উঠে , নিজে প্রস্তুত হয়ে ব্যাগ প্রস্তুত করে , পুপেকে ঠেলে তুলে দিলাম। বলতে নেই, গাঁইগুঁই করলেও সে চটজলদি প্রস্তুতি নিয়ে ফেলল। শরীর তার তখনো বেশ বিগড়ে আছে, যার প্রভাবে মেজাজ বেশ খিঁচড়ে ছিল। বেশি ঘাটাইনি । একে মা মনসা তাতে ধূনোর গন্ধ । ওষুধ খাইয়ে তাকে , হোটেলের নিচে প্রস্তুত গাড়িতে উঠতে পাঠিয়ে দিয়ে , লটবহর খানিক নিয়ে , খানিক হোটেল কর্মচারী দ্বারা পাঠিয়ে আগুয়ান হয়েই শুনলাম কন্যা আবার হোটেলের সামনে সদ্য গলধঃকরণ করা ওষুধ ও জল উগরে দিয়ে যারপরনাই লজ্জিত ও দুঃখিত। এদিকে সেদিন আমরা আরেকপ্রস্থ রেল গাড়ি চড়ে যাব পিপারিয়া নামের বড় শহরে, সেখান থেকেই গাড়ি করে পৌঁছে যাব আমাদের পরবর্তী গন্তব্য ব্রিটিশ আমলের পাহাড়ী জনপদ পাঁচমারিতে । আগেরদিন খানিক ধরে পড়তে, রাতের ডিনারের পর জলখাবারের ব্যবস্থাপনা করে দিয়েছিল জব্বলপুরের হোটেলের কর্মচারী গণ। কিন্তু পরন্তু সু-ব্যবস্থাপনার অভাবে জলখাবারের সম্পূর্ণটা কাজে লাগতে পারল না। সকলের জন্য প্রস্তুত খাবারের পলকা ব্যাগ খান হাতে ধরে নিয়ে এসে গাড়ির সামনে শেষ রক্ষা হলো না, প্যাকিং ছিন্ন আর বে...