বেড়াতে গিয়ে মজারু ৭১
বেড়াতে গিয়ে মজারু ৭১ ১৭ সীটার টেম্পো ট্রাভেলার একদম প্যাকিং থেকে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত। সীট , দরজার হাতল সবেতে প্লাস্টিকের কভার পরানো। তাতে যেন বিগত ২৬.৫ ঘন্টার যাত্রা র ধকলের খানিকটা লাঘব হলো। আরো কিছুটা লাঘব করল ট্রাভেরাতে ওঠার আগেই দেখা পেলাম আরেক সাউথ পয়েন্ট জননীর , যে পথের বিপরীতে আরেক ট্রাভেরার দিকে দলবল সহ এগোচ্ছিল। চেনা মুখ। তবে আলাপ নেই। তাতে কি ? না হয় মধ্যপ্রদেশ এসে আলাপিত হওয়া লেখা ছিল। বিধির বিধান। তবে জানা গেল ওরা চলেছে কানহাতে বাঘ মামার দর্শনে। ফিরে জব্বলপুর দেখে কলকাতায় ফিরবে। সকলে খান কতক ছবি তোলা হল। সাধে কি বলি ... কন্যার স্কুল খান একটি গোয়াল বিশেষ !!!! যেখানেই যাও না কেন , কেউ না কেউ উঁকি মারবেই মারবে।সুদেষ্ণার সাথে আলাপ টা হয়েই গেল অন্য রাজ্যে। পরবর্তী ক্লান্তি কাটাতে হাজির সারা জব্বলপুর শহর জোড়া দূর্গা পূজার বাহার । তবে এখানে কোন মণ্ডপে মা দূর্গা তো , কোথাও মা কালী। আর দূর্গা মা তার মণ্ডপে একাকী, পুত্র কন্যা পরিবৃতা নয়। আমার কন্যা সহ ছোটদের এক প্রশ্ন, মা দূর্গার সাথে বাকি সকলে নেই কেন ? এক বাক্যে বললাম ওরা কলকাতা থুড়ি পশ্চিম বঙ্গের দিকেই যান । ...